আজো বাবা মায়ের ঠিকানা খুজে পায়নি বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটি



আরিফ সুমন, বরিশাল ব্যুরো : ছেলে হোক আর মেয়ে হোক কোন প্রতিবন্ধী এখন আর সমাজের বেঝা নয় রাস্ট্রীয় ভাবে এর রয়েছে ব্যাপক প্রচারনা কিন্তু এই বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটি কি বাবা-মার বোঝা হয়ে দাড়িয়ে ছিল কে জানে? সে কি আর ফিরে যেতে পারবেনা বাবা-মার কোলে
গত প্রায় এগারো মাস যাবত সেইভ হোমে অবস্থান করা বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটি প্রতি মাসে কাউনিয়া থানা পুলিশের হেফাজতে মেট্রো পলিটন আদালতে হাজিরা দিয়ে যাচ্ছে।বাবা-মা-আত্বীয়-স্বজনের কোন পরিচয় না পাত্তয়ার কারনে আদালত বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটির বিষয়ে কোন আইনগত সিন্ধান্ত দিতে পারছে না।

আদালতের নির্দেশ্যে মেয়েটির বাবামা তার আপনজনদের হন্য হয়ে খুজে বেড়াচ্ছে কাউনিয়া থানা পুলিশ প্রশাসন।কাউনিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার এস.আই..আর মুকুল বলেন ২০১৫ সালের ২০ই সেপ্টেম্বর বিকালে কাউনিয়া থানাধীন নগরীর পশ্চিম কাউনিয়ার বাসিন্দা স্বর্না বেগম, স্বামী মৃত্যু আসলাম খান) চাকুরীর ডিউটি শেষে অটো রিকসা যোগে বাসায় ফেরার পথে একই গাড়ীতে বাক প্রতিবন্ধী (১১) বয়সের মেয়েটিকে দেখতে পায়
এসময় গাড়ীতে থাকা অন্য যাত্রিদের দৃষ্ঠি পড়ে মেয়েটির দিকে এঘটনা দেখে স্বর্না বেগম মেয়েটির নিরাপত্তার কথা ভেবে নিজ হেফাজতে নিয়ে নেয়। তারপর মেয়েটিকে স্বর্না বেগম কাউনিয়া থানায় হস্তান্তর করে
থানা পুলিশ মেয়েটিকে গ্রহন করে একটি সাধারন ডায়েরী করেন যার নং ৮৪০/২১--২০১৫ইং। ২১ই সেপ্টেমবর পুলিশ বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে মেট্রো পলিটন আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ মেজিস্ট্রেট মেয়েটিকে সেইভ হোমে প্রেরন করে সেই সাথে মেয়েটির আত্বীয়-স্বজনদের খুঁজে বের করার আদেশ দেন
মেয়েটি একদিকে পারছেনা কথা বলতে অন্য দিকে ইসারায় কিছু বুজাতে না পারার কারনে কোন কিছুই করতে পারছেনা পুলিশ।
সেইভ হোমে থাকা মেয়েটি অন্য ছেলে-মেয়েদের সাথে থাকলেও তার দৃস্টি ভাব ভংগিমায় বোঝা যায় সে তার বাবা-মাকে যেন খুঁজে বেড়ায়। মেয়েটির কোন সন্ধান পাওয়া গেছে কিনা সে বিষয়ে প্রতি মাসের তারিখে বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে আদালতে পুলিশকে হাজির করতে হয়।
গত ৬ই জুন ২০১৬ আদালতে মেয়েটির উপস্থিতিতে বিজ্ঞ বিচারক মেয়েটির ছবি দিয়ে তথ্য প্রকাশ করার জন্য পত্র-পত্রিকার সহযোগীতা নেয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন এবং আগামী ৩১ই আগস্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ জারী করেন।
সেইভ হোম সূত্র থেকে জানা যায় অন্য দশজনের মত এই মেয়েটিত্ত ভালো আছে। তারা জানান একান্ত মেয়েটির কোন পরিচয় পাত্তয়া না গেলে হয়ত এখানেই আদালতের নির্দেশে ¯’ায়ী ঠিকানা হয়ে দাঁড়াতে পারে

0 মন্তব্য(গুলি)

Write Down Your Responses

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...