বাংলাদেশি ছবির ডাবল জয় হল লোকার্নো উৎসবে

সুইজারল্যান্ডের লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবে ওপেন ডোরস কার্যক্রমে দুটি পুরস্কার জিতলো কামার আহমেদ সাইমন পরিচালিত বাংলাদেশের ছবি ‘ডে আফটার টুমরো’।
মঙ্গলবার (০৯ আগস্ট) এ আয়োজনের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
জানা গেছে, ওপেন ডোরস গ্র্যান্ট ও প্রিক্স আর্তে জিতেছে ‘ডে আফটার টুমরো’। ওপেন ডোরস গ্র্যান্টের পুরস্কার হিসেবে পরিচালক সাইমন ও প্রযোজক সারা আফরীনের হাতে এসেছে ৩০ হাজার সুইস ফ্রাঙ্ক। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪ লাখ টাকা।
এ ছাড়া আর্তে ইন্টারন্যাশনাল ওপেন ডোরস প্রাইজের জন্য সাইমন ও সারা পেয়েছেন ছয় হাজার ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা। সামনে তারা নিজেদের ছবির জন্য পেতে পারেন ইউরোপের প্রযোজনা ও পরিবেশনা সহায়তা।
গত ৪ আগস্ট শুরু হয়ে ৯ আগস্ট শেষ হওয়া ওপেন ডোরস কার্যক্রমের আওতায় এবার প্রদর্শিত হয়েছে বাংলাদেশ, ভূটান, মিয়ানমার ও নেপালের ছবি। ভূটানের ছবি ‘দ্য রেড ফালাস’ পেয়েছে ২০ হাজার সুইস ফ্রাঙ্ক। সিএনসি প্রাইজ হিসেবে ৮ হাজার ইউরো পুরস্কার পেলো নেপালের ‘সিজন অব ড্রাগনফ্লাইস’।
সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনের (এসডিসি) সহায়তায় ওপেন ডোরস কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে লোকার্নো উৎসব কর্তৃপক্ষ। সহযোগী হিসেবে আছে ইউরোপ ও এশিয়ার একাধিক প্রতিষ্ঠান। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে মুক্ত ছবি ও নির্মাতাদের সহায়তার জন্যই কাজ করে ওপেন ডোরস।
লোকার্নো ওপেন ডোরস হাবের জন্য ‘ডে আফটার টুমরো’ছাড়াও নির্বাচিত চলচ্চিত্র প্রকল্পে জায়গা করে নিয়েছিলো ইশতিয়াক জিকোর কাহিনিচিত্র ‘সিটি অ্যান্ড ক্যাটস’।
উৎসবে এবার প্রদর্শিত হয়েছে বেশ কয়েকটি বাংলাদেশি ছবি। এর মধ্যে ছিলো মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘টেলিভিশন’, কামার আহমাদ সাইমনের ‘শুনতে কি পাও’ ও রুবাইয়াত হোসেনের ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’। স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির মধ্যে ছিলো ইশতিয়াক জিকোর ‘৭২০ ডিগ্রিজ’, আবু শাহেদ ইমনের ‘কন্টেইনার’ ও মেহেদি হাসানের ‘আই অ্যাম টাইম’।

,

0 মন্তব্য(গুলি)

Write Down Your Responses

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...