আশরাফুল ক্রিকেটে ফিরেই যা বললেন

আজকের পর থেকে তার নামের পাশে ব্যবহৃত হবে নানিষিদ্ধ মত কোন কদর্য শব্দ এখন থেকে তিনি আবারও মাঠ মাতাতে পারবেন আবারও গ্যালারিতে আশরাফুল আশরাফুল বলে চিৎকার উঠবে

তিন বছর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আজ থেকে মুক্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। এখন থেকে খেলতে পারবেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

তবে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে হলে তাকে অপেক্ষা করতে হবে আরও দুই বছর। এছাড়াও বিপিএল বা এইধরণের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট বাইরের দেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে খেলতে পারবেন কি না তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

বেশ কিছু দিন আগে দেশের একটি নিউজ চ্যানেল প্রচারিত এক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, আইসিসির কোন এক মুখপাত্র তাদের জানিয়েছেন যে আগামী দুই বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে না পারলেও বিসিবির অধীনে আয়োজিত সব ধরণের ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলতে পারবেন তিনি। সেক্ষেত্রে বিসিএল, ডিপিএল, এনসিএল এমনকি বিপিএলে খেলতেও কোন বাধা রইবে না আশরাফুলের।

তবে এই সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্ন ওঠার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কেননা মাত্র কয়েকদিন আগেই দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ইংরেজি একটি দৈনিক কে আশরাফুলের ব্রিটিশ আইনজীবী ইয়াসিন প্যাটেল স্বয়ং জানিয়েছিলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরলেও আগামী দুই বছর জাতীয় দলের হয়ে এবং বিপিএল বা এইধরণের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট বাইরের দেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে খেলতে পারবেন না তিনি।

তবে সব কিছুর উপরে হচ্ছে তার আবার ক্রিকেটে ফেরা। আশরাফুল বেশ কিছুদিন ধরে ইংল্যান্ডে অবস্থান করলেও মুক্তির দিনে দেশে ফিরছেন তিনি।

লন্ডন থেকে দেশের একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালকে খোদ আশরাফুলই জানান, ‘নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবারো ক্রিকেটে ফিরতে পেরে আমি আনন্দিত, সেই সঙ্গে কৃতজ্ঞ বিসিবি দেশের মানুষের প্রতি। আমার ভুলের কথা মাথায় আছে। এবার সকলের প্রতি আমার দায় পরিশোধের পালা।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের হয়ে আমার কিছু সেরা ইনিংস আছে। তবে আমি মনে করি আমার এখনও সেরাটা দেওয়ার বাকি। আর আমি সেরাটা দিয়েই সবার মন জয় করতে চাই।

সব কিছু ঠিক থাকলে আজ বেলা ১১টার দিকে দেশে ফিরবো। আর আইসিসির প্রধান কার্যালয় শনিবার বন্ধ থাকায়, রোববার সব কিছু জানা যাবে।

উল্লেখ্য, বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হনআশার ফুলবলে খ্যাত ক্রিকেটার। ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট থেকে ক্রিকেটে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন তিনি।

এরপর ২০১৪ সালের ১৮ জুন থেকে তার উপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ফলে প্রায় বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বাইরে ছিলেন সবচেয়ে কম বয়সে টেস্ট সেঞ্চুরি করা ক্রিকেটার।

আজকের পর থেকে তার নামের পাশে ব্যবহৃত হবে না ‘নিষিদ্ধ’র মত কোন কদর্য শব্দ। এখন থেকে তিনি আবারও মাঠ মাতাতে পারবেন। আবারও গ্যালারিতে আশরাফুল আশরাফুল বলে চিৎকার উঠবে।

তিন বছর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আজ থেকে মুক্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। এখন থেকে খেলতে পারবেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

তবে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে হলে তাকে অপেক্ষা করতে হবে আরও দুই বছর। এছাড়াও বিপিএল বা এইধরণের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট ও বাইরের দেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে খেলতে পারবেন কি না তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।

বেশ কিছু দিন আগে দেশের একটি নিউজ চ্যানেল প্রচারিত এক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, আইসিসির কোন এক মুখপাত্র তাদের জানিয়েছেন যে আগামী দুই বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে না পারলেও বিসিবির অধীনে আয়োজিত সব ধরণের ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলতে পারবেন তিনি। সেক্ষেত্রে বিসিএল, ডিপিএল, এনসিএল এমনকি বিপিএলে খেলতেও কোন বাধা রইবে না আশরাফুলের।

তবে এই সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্ন ওঠার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কেননা মাত্র কয়েকদিন আগেই দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ইংরেজি একটি দৈনিক কে আশরাফুলের ব্রিটিশ আইনজীবী ইয়াসিন প্যাটেল স্বয়ং জানিয়েছিলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরলেও আগামী দুই বছর জাতীয় দলের হয়ে এবং বিপিএল বা এইধরণের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট ও বাইরের দেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে খেলতে পারবেন না তিনি।

তবে সব কিছুর উপরে হচ্ছে তার আবার ক্রিকেটে ফেরা। আশরাফুল বেশ কিছুদিন ধরে ইংল্যান্ডে অবস্থান করলেও মুক্তির দিনে দেশে ফিরছেন তিনি।

লন্ডন থেকে দেশের একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালকে খোদ আশরাফুলই জানান, ‘নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবারো ক্রিকেটে ফিরতে পেরে আমি আনন্দিত, সেই সঙ্গে কৃতজ্ঞ বিসিবি ও দেশের মানুষের প্রতি। আমার ভুলের কথা মাথায় আছে। এবার সকলের প্রতি আমার দায় পরিশোধের পালা।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের হয়ে আমার কিছু সেরা ইনিংস আছে। তবে আমি মনে করি আমার এখনও সেরাটা দেওয়ার বাকি। আর আমি সেরাটা দিয়েই সবার মন জয় করতে চাই।’

‘সব কিছু ঠিক থাকলে আজ বেলা ১১টার দিকে দেশে ফিরবো। আর আইসিসির প্রধান কার্যালয় শনিবার বন্ধ থাকায়, রোববার সব কিছু জানা যাবে।’

উল্লেখ্য, বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হন ‘আশার ফুল’ বলে খ্যাত এ ক্রিকেটার। ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট থেকে ক্রিকেটে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন তিনি।

এরপর ২০১৪ সালের ১৮ জুন থেকে তার উপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ফলে প্রায় ৩ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বাইরে ছিলেন সবচেয়ে কম বয়সে টেস্ট সেঞ্চুরি করা এ ক্রিকেটার। - See more at: http://primenewsbd.com/index.php?page=details&nc=13&news_id=90885#sthash.0g3q1ec4.dpuf

0 মন্তব্য(গুলি)

Write Down Your Responses

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...